Sunday, August 23, 2020

ডিমান্ড চার্জ কি? মিটার ভাড়া কি ও কেন?

প্রশ্ন:০১: ডিমান্ড চার্জ কি, কারা নির্ধারন করেঃ

যখন কোন একজন গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে মিটারের জন্য আবেদন করে, তখন উক্ত গ্রাহকের ব্যবহার সীমা কতটুকু হবে, তা উল্লেখ করে তাকে ফর্মে অঙ্গীকার/স্বাক্ষর দিতে হয়। যেমন, কোন গ্রাহক যদি বলে তার ২ কিঃওঃ (কিলোওয়াট) লাগবে। তার মানে উক্ত গ্রাহকের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহার সীমা ২কিঃওঃ। এই ২ কিঃ ওঃ হলো তার চুক্তিবদ্ধ লোড। এই সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের সীমা বা চুক্তিবদ্ধ লোডের উপর যে চার্জ ধার্য করা হয় তাকেই ডিমান্ড চার্জ বলা হয়।

গ্রাহকের সেই চুক্তিবদ্ধ লোড সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুৎ বিতরণকারী সকল প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মালামাল সহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে উক্ত গ্রাহকের সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে। যেমন, ট্রান্সফরমার, খুঁটি, তার ইত্যাদি। এসব যন্ত্রপাতি ও মালামালের টাকা যেমন সরকার বহন করে, তেমনি ডিমান্ড চার্জের মাধ্যমে এই টাকা সরকার আবার ফেরতও নেয়।

ডিমান্ড চার্জ কেউ চাইলে নিজের ইচ্ছামত ধার্য করতে পারে না। ইহা নির্ধারণ করে দেয় সরকারি সংস্থা Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC). বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বেচা, কেনা, উৎপাদন, বিতরন, জরিমানা, ভর্তুকি, বিলের রেট, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট সব কিছু নির্ধারণ করে দেয় এই BERC.
যেমন- আবাসিক, সেচ-কৃষি কাজের গ্রাহকদের জন্য ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াট ৩০ টাকা, বানিজ্যিক বিপণনের জন্য ৬০ টাকা ইত্যাদি ধার্য করে দিয়েছে BERC. উক্ত ডিমান্ড চার্জ ও ব্যবহৃত বিদ্যুৎ খরচের উপরই মোট বিল হিসাব করা হয়। এই টাকা সরকারি রাজস্ব খাতে জমা হয়। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই টাকার মালিক না।

প্রশ্ন ০২: মিটার ভাড়া কি ও কেনঃ

পল্লী বিদ্যুৎ বেশিরভাগই গ্রামীণ মানুষকে বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে থাকে। যাদের অধিকাংশ সচ্ছল না। একটি ১ ফেইজ মিটারের দাম ১২০০/১৫০০ টাকা। অনেক গ্রাহকের উক্ত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার মতো সাধ্য নাই। তাই ১০ টাকা মাস প্রতি নিয়ে থাকে। একটি মিটারের আয়ু সচরাচর ১০ বছর।তাহলে ১০ বছর x ১২ মাস x ১০ টাকা = ১২০০ টাকা। তবে মিটার বেশিরভাগই ১০ বছরের আগেই নষ্ট হয়ে যায়।এমনকি ১০ দিন কিংবা ১ মাসেও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন গ্রাহককে বিনামূল্যে পুনরায় নতুন মিটার দেওয়া হয়। প্রতি মাসে ১০ টাকা গ্রাহক স্বার্থেই করা হয়, যাতে গ্রাহক সুবিধা পায়। কিন্তু, কোন গ্রাহক যদি নিজে মিটার কিনে নেয়, তবে তাকে মিটার ভাড়া দিতে হয় না। এক্ষেত্রে যদি মিটার নষ্ট হয়ে যায় তবে গ্রাহককে আবার টাকা দিয়ে কিনতে হবে।
১০ বছর পরেও কি মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে? উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ। কারণ, ১ মাস পরেও যদি কোন গ্রাহকের মিটার নষ্ট হয়, তখন যেহেতু কোন টাকা নেওয়া হয় না, তাই ১০ বছর পরেও যদি মিটার ভালো থাকে, মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে।
আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৪.৩৬৭৯ টাকা রেটে বিদ্যুৎ ক্রয় করে থাকে। কিন্তু, গ্রামের আবাসিক গ্রাহকদেরকে ০-৭৫ ইউনিটের দাম নিচ্ছে ৪.১৯ টাকা রেটে। পল্লী বিদ্যুতায়নের আওতায় মোট গ্রাহক ২ কোটি ৮২ লক্ষ। ৭৫ ইউনিটের নিচে ব্যবহারকারী গ্রাহক রয়েছে প্রায় ২ কোটি। এই বিরাট সংখ্যক গ্রাহকদেরকে ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দামে বিদ্যুৎ দিচ্ছে তাদের সুবিধার জন্য।

Saturday, August 15, 2020

সাধারণ জ্ঞান

১। থানা ও উপজেলার মধ্যে পার্থক্য কী?

থানা ও উপজেলা প্রশাসনিক কারনে আলাদা।থানার প্রধান নির্বাহী অফিসার ইনচার্জ (OC) এবং উপজেলার প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO)।
উলেখ্য,উপজেলায় চেয়ারম্যান থাকে ও ভাইস চেয়ারম্যান থাকে।

২। থানা আর মডেল থানা, কোতয়ালী থানার মধ্যে পার্থক্য কি?

থানার প্রধান দায়িত্বে থাকেন ওসি আর মডেল থানার ASP মডেল থানা আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত আর থানা সাধারণ অস্ত্রে সজ্জিত ।বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা-ভালুকা , ময়মনসিংহ। কোতয়ালী থানা - এক সময় জেলা প্রশাসক তথা রাজস্ব কালেক্টটররা রাজস্ব সংগ্রহের জন্য নিয়মিত পুলিশ বাহিনী ব্যতীত দাঙ্গা পুলিশের মতো কোতয়াল বাহিনী দ্বারা কিছু থানা পরিচালিত করত। কোতয়াল বাহিনী যারা রাজস্ব তথা খাজনা দিতে পারত না তাদের ধরে এনে থানায় রাখত। পরবর্তীতে সেই থানা গুলোই কোতয়ালী থানা হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

৩। অববাহিকা বলতে কী বোঝায়?

ভূ-পৃষ্ঠের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে গাঠনিক কারনে বা অন্যভাবে নিম্নভূমি স্মৃষ্টি হলে এবং সে নিম্নভূমি পলল ধারন করার উপযোগী অবক্ষেপণ মঞ্চে পরিণত হলে তাকে অববাহিকা (basin) বলে।

৪। বেনাপোল ও পেট্রোপোল কী?

বেনাপোল(বাংলাদেশ অংশের) ও পেট্রোপোল (ভারত অংশের) দুইটি স্থলবন্দর।

৫। অভিবাসী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য কী ?

যখন কেউ নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য কোন দেশে শিক্ষা,ব্যবসা, চাকুরি,শ্রম , গবেষণা ইত্যাদির জন্য স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে বসবাসের উদ্দেশ্যে পাড়ী জমায় তখন তাকে অভিবাসী বলে আর রাজনৈতিক, সামাজিক, জাতিগত বিভিন্ন নিরাপত্তাগত কারণে নিজ ভূমি ছেড়ে বা আশ্রয়ের সন্ধানে অন্য কোন দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থানকৃত জনসমষ্টিকে শরণার্থী বলে।

৬। বামপন্থী ও ডানপন্থী বলতে কী বোঝায় ?

প্রগতিশীল মতবাদ ও সমাজতন্ত্রের এবং ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসীদের বামপন্থী বলে ।অপরপক্ষে গণতান্ত্রিক ,পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতি অতি বিশ্বাসীদের ডানপন্থী বলে।

৭। একাডেমি ও ইনস্টিটিউটের এর মধ্যে পার্থক্য কী ?

সাধারণত মৌলিক , প্রথাগত , কারিগরি বা সামরিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একাডেমি বলে।যেমন-বাংলা একাডেমি,মেরিন একাডেমি।
অপরপক্ষে পেশাগত বা ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নমূলক শিক্ষা প্রদানকারী বা কোন বিষয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে ইনস্টিটিউট বলে ।
যেমন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট।

৮। ট্যাবলয়েড পত্রিকা কাকে বলে ?

সাধারণত যে সাইজের পত্রিকা ছাপা হয় তার চেয়ে অর্ধেক সাইজের পত্রিকাকে ট্যাবলয়েড পত্রিকা বলে ।
যেমন: মানবজমিন ।

৯। অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরের মধ্যে পার্থক্য কী ?

সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক । যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে যার প্রধান হলেন পরিচালক । যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন ।

১০। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি ও উপজাতির মধ্যে পার্থক্য কি?

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী / আদিবাসী : কোন এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন জনবসতি ও তাদের সংস্কৃতিকে বোঝাতে আদিবাসী পদটি ব্যবহৃত হয়। আধুনিক জনগোষ্ঠীর জৈব ও সামাজিক প্রভাবজাত নয় এমন জনগোষ্ঠীকে আদিবাসী বলা হয়। উপজাতি এমন জনগোষ্ঠীগুলোকে বুঝায় যারা আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে পারেনি কিন্তু নিজস্ব একটি আলাদা সংস্কৃতি গড়ে তুলেতে সমর্থ হয়েছে। মূলতঃ রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে জাতি বা উপজাতি নির্দিষ্টকরণ হয়ে থাকে।

১১। Recto & Verso কী?

বইয়ের পাতার ডানদিকের পৃষ্ঠাকে Recto বলে আর বইয়ের পাতার বামদিকের পৃষ্ঠাকে Verso বলে । Verso গুলোতে জোড় সংখ্যা এবং
Recto গুলোতে বিজোড় সংখ্যা থাকে।

১২। নদী ও নদের মধ্যে পার্থক্য কী ?

সাধারণত বাংলা , হিন্দি ,ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ অ-কারান্ত এবং নারী বাচক শব্দ আ কারান্ত বা ই , ঈ -কারান্ত হয় ।
যেমন- নদ-নদী , কুমার-কুমারী ইত্যাদি।
সুতরাং যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক সেগুলোর পর নদ থাকে ।
যেমন:নীলনদ , কপোতাক্ষ নদ , ব্রহ্মপুত্র নদ এবং ‘যেসকল নদীর নাম স্ত্রীবাচক সেগুলোর পর নদী থাকে
যেমন:পদ্মা নদী,মেঘনা নদী
ইত্যাদি।

১৩। মহীসোপান ও মহীঢাল বলতে কী বুঝায় ?

পৃথিবীর মহাদেশগুলোর চর্তুদিকে স্থলভাগের যে অংশ অল্প অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে , তাকে মহীসোপান বলে। 
আর মহীসোপানের শেষ সীমা থেকে ভূ-ভাগ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীরে তলদেশের সাথে
মিশে যাওয়া অংশকে মহীঢাল বলে ।

১৪। মহাসাগর,সাগর, উপসাগর , হ্রদের মধ্যে পার্থক্য কী ?

মহাসাগর- বিস্তীর্ন বিশাল জলরাশি যার সীমা নির্ণয় করা প্রায় দু:সাধ্য তাকে মহাসাগর।
সাগর- মহাসাগরে চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশিকে সাগর বলে ।
উপসাগর- যে সাগরে তিনদিক স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত তাকে উপসাগর বলে। 
হ্রদ -সাগরের চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশি। চারদিকে স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।

১৫। ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ কি?

এই মতবাদের মূলনীতি ব্যক্তিস্বাধীনতা।

১৬। সাম্রাজ্যবাদ কি?

অপর রাষ্ট্র দখল করে শক্তি বৃদ্ধি ও সম্পদ বৃদ্ধি করার নাম সাম্রাজ্যবাদ।

১৭। ফ্যাসিবাদ কি?

ফ্যাসিবাদের মুখ্যনীতি জনগনের জন্য রাষ্ট্র নয় রাষ্ট্রের জন্য জনগন।রাষ্ট্রই সকল ক্ষমতার অধিকারী,ব্যক্তি নয়।

১৮। জাতীয়তাবাদ কি? 

কোন জাতি বা সমাজের জাতীয় সংহতি বজায় রাখাকে জাতীয়তাবাদ বলে।

১৯। মার্কসবাদ কি?

কার্ল মার্কস এর মতবাদ ধনতান্ত্রিক, রাজতন্ত্র উচ্ছেদ করে শ্রেনী বৈষম্যহীন ব্যবস্থা কায়েম করাই এর কাজ।

২০। অ্যাডাল্ট ফ্রাঙ্কাইজ বলতে কি বুঝায়?

জাতি,ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের ভোট অধিকার।

২১। অ্যাপার্ট হেড কি?

জাতিগত বা বর্ণগত বৈষম্য কে অ্যাপার্ট হেড বলে।

২২। স্যাভাটোজ কি?

অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ দ্বারা কোন কিছু ধ্বংস করা বা ধ্বংস করতে বাধ্য করা।

২৩। ফেডারেশন কি?

ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে কয়েকটি অঙ্গ রাজ্য বা প্রদেশ নিয়ে গঠিত, যার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে সাংবিধানিকভাবে বণ্টন হয়।
যেমন, আমেরিকা,কানাডা ও ভারত।

২৪। কনফেডারেশন কি?

কয়েকটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র মিলিত হয়ে যে সংস্থা গঠন করে তাকে কনফেডারেশন বলে।

২৫। অ্যাটর্নী জেনারেল বলতে কি বুঝ?

একটি দেশের সরকারের প্রদান আইনজীবীকে।

২৬। ডিপ্লোমেসি কি? 

কূটনৈতিক, বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তির পূর্বে শত্রুতা না করে আলোচনা বা চুক্তি ব্যবস্থা কৌশল।

২৭।। ডিপ্লোমেটিক ইলনেস কি?

কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় যোগদান না করার অজুহাতে অসুস্থতাককে ডিপ্লোমেটিল ইলনেস বলে।

২৮। রাষ্ট্রদূত কি?

এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত শ্রেনীর কূটনীতিকই হলো রাষ্ট্রদূত।

২৯। 'চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ' কি?

একজন রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত মিশনের অস্থায়ী প্রদান।

৩০। অ্যাম্বাসেডর কি?

একটি রাষ্ট্র থেকে অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের অ্যাম্বাসেডর বলা হয়।

৩১। হাইকমিশনার কি?

কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের হাইকমিশনার বলা হয়।

৩২। হুইপ কি?

পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের সদস্যদের মধ্যে সংঘবদ্ধ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।

৩৩। প্রোটোকল কি?

কূটনৈতিক পরিভাষায় একে সাধারণ আন্তর্জাতিক দলিল বুঝায়।আন্তর্জাতিক সভা-সমিতির কার্য বিবরণী।

৩৪। তৃতীয় বিশ্ব কোন দেশদের বলা হয়?

স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশ।

৩৫। স্বায়ত্তশাসন কি?

স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষমতা।

৩৬। দৈতশাসন কি?

একই রাষ্ট্রের দুই শক্তির শাসন ব্যবস্থা।

৩৭। শ্বেতপত্র কি?

কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিবরণী।

৩৮। টাস্কফোর্স কি?

কোন দেশের স্থল,বিমান ও নৌবাহিনীর সম্মিলিত সৈন্যদল।

৩৯। বাফার স্টেট কি?

বিবাদমান দুই বৃহত্তর রাষ্ট্রের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র,কম শক্তিসম্পন্ন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্র।

৪০। স্ট্র ভোট কি?

কোন বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক বেসরকারি গৃহীত ভোট।

৪১। স্যাটেলাইট স্টেট কি?

প্রতিবেশি বৃহৎ এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবাধীন অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্র।

৪২। পুলম কি?

পুলম একটি সাধারণ চুক্তি ফার্মের উৎপাদন পরিমান নির্দিষ্ট করে দেয় কিন্তু প্রত্যেক ফার্মেই তার নিজ নিজ সত্তা বজায় রাখেএবং পরিচালনায় উৎপাদন কার্য চালায়।

৪৩। জানটা কি?

একটি স্ব-গঠিত সমিতি যা গোপনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লিখিত হয়।

৪৪। গনভোট কি?

কোন বিতর্কিত প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভোটদাতা কর্তৃক প্রত্যক্ষ ভোট।

৪৫। ইমপিচমেন্ট কি?

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের জন্য রাষ্ট্রের প্রধান বা কোন মন্ত্রী পার্লামেন্টে বা এজন্য গঠিত উচ্চ ট্রাইব্যুনাল বিশেষ বিচার।

৪৬। পঞ্চম বাহিনী ( 5th column) কি?

যে জনতা গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।

৪৭। একনায়কতন্ত্র কি?

একনায়কতন্ত্র এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকারের সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত।

৪৮। দাঁতাত কি?

দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা।

৪৯। গনতন্ত্র কি?

জনগন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা, জনগনের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শাসনকার্য পরিচালনা করে।

৫০। ডী জুরী কি?

আইনগত নতুন সরকার বা রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

৫১। ডী ফ্যাকটো বলতে কি বুঝায়?

বাস্তবিকপক্ষে নতুন সরকার বা রাষ্ট্রের রীতিসিদ্ধ স্বীকৃতির পূর্বেই যে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সৃষ্টি করার জন্য বিধিবদ্ধ আইন।

৫২। ক্রশ ভোটিং কি?

শাসকদল অথবা বিরোধীদলের সদস্যগণ যখন দলগত বাধা এবং সমর্থন ভঙ্গ করে বিপক্ষ দলকে ভোট দেন।

৫৩। আমলাতন্ত্র বলতে কি বুঝায়?

আমলাদের দ্বারা পরিচালিত সরকার।

৫৪। বুর্জোয়া বলতে কি বুঝায়?

মধ্যবর্তী সম্প্রদায়, মার্কসিস্টদের মতে যারা মালিক শ্রেনীকে পছন্দ করে না এবং তাদেরকে শোষণ করে তারাই বুর্জোয়া।

৫৫। বহি:সমর্পণ চুক্তি বা Extradition Treaty কি?

বহি:সমর্পণ চুক্তি হলো এক দেশের অপরাধীকে অন্যদেশ চুক্তির মাধ্যমে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।

৫৬। ব্লু বুকস কি?

নীল মলাটে বাধানো ইংল্যান্ডের ব্যবস্থাপক সভার বা খাস রাজসভার বিবরনী পুস্তক।

৫৭। ব্লাক স্মার্ট কাদের বলা হয়?

ইতালির মুসোলিনের ফ্যাসিস্ট দল।

৫৮। রাজনৈতিক আশ্রয় কি?

যখন কোন রাজনৈতিক শরণার্থী অন্য কোন দেশে আশ্রয় নেন তখন তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় বলে।

৫৯। বাই ক্যামের্যাল লেজিসলেটার
শব্দটি দ্বারা কি বুঝায়?

যে কোন দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

৬০। শোভিনিজম কি?

অন্ধদেশ প্রেম বা উগ্র স্বদেশিকতা।

৬১। অধ্যাদেশ কাকে বলে?

জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক জারিকৃত আইন।

৬২। কুয়োমিনটাং কাদের বলা হয়।

চীনা জাতীয় বিপ্লবী দল।

৬৩। বলশেভিক কি?

রাশিয়ায় যারা কার্ল মার্কস মতবাদের বিশ্বাসী।

৬৪। PL-480 কি?

PL-480 হচ্ছে পাবলিক -ল ৪৮০। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সাহায্য প্রদান সংক্রান্ত একটি আইন।

৬৫। দ্বীপ ও অন্তরীপ মধ্যে পার্থক্য কী ?

সাগরের মাঝে যখন স্থল জেগে ওঠে তখন তাকে দ্বীপ বলে যার চারদিকেই পানি দ্বারা বেষ্টিত আর যখন কোন দ্বীপ স্থলের সাথে সংযোগ থাকে তখন তাকে অন্তরীপ বলে ।

৬৬। ঐতিহাসিক রাজধানী কাকে বলে ?

যেসব রাজধানী কোন রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কয়েকশত বছর ধরে টিকে আছে এবং রাষ্ট্রের বিবর্তনে এর ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকে তাকে ঐতিহাসিক রাজধানী বলে।
যেমন: ঢাকা,করাচি, দিল্লি ,রোম ।

৬৭ । পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ এস্টেট
বলতে কী বোঝায় ?

আধুনিক যুগে ব্লগিংকে যে কোনো রাষ্টের পঞ্চম স্তম্ভ বলা হয় । তবে কেউ কেউ ইন্টারনেট প্রযুক্তির আওতায় থাকা প্রতিটি মানুষকেই পঞ্চম স্তম্ভ বলে।
উল্লেখ্য,আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্বীকৃত চারটি স্তম্ভ
হলো -আইন ,বিচার , নিবার্হী বিভাগ এবং সংবাদপত্র ।

৬৮। থ্রাস্ট সেক্টর বলতে কী বোঝায় ?

অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সামনে রেখে সরকার অনেক সময় বিভিন্ন সেক্টর বা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত বলা হয় । যেমন: বাংলাদেশ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বিবেচনায় তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য ইত্যাদি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ধরা হয়।

৬৯। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ‘গ্রিড ‘ দ্বারা কী বোঝানো হয় ?

উচ্চ ভোল্টেজ সমৃদ্ধ জাতীয়ভাবে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার বা তড়িৎ ক্ষমতার বণ্টনের ব্যবস্থা হলো গ্রিড।

৭০। অপেরা দ্বারা কী ধরণের সাহিত্যকে বোঝানো হয় ?

সঙ্গীতপ্রধান নাটকের সাধারণত অপেরা বলা হয়।অপেররার কাহিনি ও চরিত্র পরিকল্পনা করতে হয়
সঙ্গীতকে উপযোগী করে,যা মূলত রঙ্গমঞ্চে উপস্থাপনার জন্যই রচিত হয় অনেকে যাত্রাপালাকে অপেরা হিসেবে অভিহিত করেন। বাংলা ভাষার প্রথম অপেরা শকুন্তলা।

৭১। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে 'কার্নিং' বলতে কি বোঝায়?

ডকুমেন্টে অক্ষর টাইপ করার সময় টাইপকৃত অক্ষরগুলোর সাধারন দুরত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হল কার্নিং।

৭২। নীলা কি?

নীলা এক ধরনের নীল স্বচ্ছ মুল্যবান মণি।তবে অপ্ল পরিমানে আয়রণ ও টাইটেনিয়াম থাকলে এটা হলুদ, বাদামী,সবুজ,গোলাপি,কমলা ইত্যাদি রঙের হয়ে থাকে।

৭৩।ফাইবার গ্লাস কি?

ফাইবার গ্লাস হল খুব সুক্ষ্ম কাচের বস্তু।এর ব্যাস এক মিটারের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগেরও কম।গাড়ির বিভিন্ন অংশ ও অন্যান্য দ্রব্য তৈরিতে এটা ব্যবহৃত হয়।

৭৪।অ্যাক্টা-দিউরনা(Acta-diurna) কী?

আধুনিক সংবাদপত্রের আদিরূপ হল অ্যাক্টা-দিউরনা। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০সালে জুলিয়াস সিজারের আমলে রোমে সে সময়ের ঘটনাবলী হাতে লিখে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ্য স্থানে সেঁটে রাখাহতো, যা অ্যাক্টা-দিউরনা নামে পরিচিত।

৭৫।সামাজিক যোগাযোগ সাইট Twitter এর লেগোর পাখির নাম কি?

ল্যারি বার্ড(Larry bird)। সাবেক খ্যাতিমান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ল্যারি জো বার্ড'কে সম্মান জানাতে এরূপ নামকরণ করা হয়।Twitter এ বর্তমানের এই পাখির লেগোটি ৫জুন ২০১২ গৃহীত হয়।

৭৬। টমোগ্রাফি কী?

যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় তাকে টমোগ্রাফি বলে।

৭৭।Persona-non-grata শব্দ সমষ্টি কোন বিশেষ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

কূটনীতিবিদদের ক্ষেত্রে।

৭৮।অরগানিক ফুড বলতে কি বোঝায়?

বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করা সবজি যাতে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না এবং শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যগুন বজায় রাখা হয়, তাই হল অরগানিক ফুড।

৭৯।'মুফাসসির' কাকে বলে এবং প্রথম মুফাসসির কে?

যিনি আল কুরআনের তাফসির ( অর্থাৎ অর্থ,তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা) করেন তাকেই মুফাসসির বলা হয়। ইসলামের প্রথম 'মুফাসসির' হলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)।

৮০।পেট্রোলের অপর নাম কি?

গ্যাসোলিন,যা প্রধানত উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয়!

৮১।রিট আবেদন কী?

রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ।বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ ধারা মতে,কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে কারো বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করতে পারেন।

৮২।নটিক্যাল মাইল বলতে কি বোঝায়?

নটিক্যাল মাইল হলো নাবিকদের দুরত্ব নির্ণায়ক মাপবিশেষ বা নৌমাইল। ১নটিক্যাল মাইল সমান
১.৮৫২কিমি বা ৬,০৭৬ ফুট(প্রায়)।

৮৩। Depreciation কী?

মুলত ব্যবহারজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণেযন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো সম্পত্তির দাম যেটুকু কমে যায়, তাকেই এ সম্পত্তির অবচয় Depreciation বলে।

৮৪। হেমলক কী?

ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার একটি অত্যন্ত বিষাক্ত বহুবর্ষজীবী সপুস্পক উদ্ভিদের নাম হেমলক। এর নি:সৃত রস থেকে তীব্র বিষ তৈরি করা হয়। সক্রেটিস এ বিষ পানেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

৮৫। সুপারনোভা কী?

সুপারনোভা বা অতিনবতারা হলো এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফারণ,যার ফলশ্রুতিতে নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং অবশেষরূপে থাকে নিউট্রন তারা কিংবা কৃষ্ণবিবর।

৮৬। দ্য সাপার লাস্ট' কী?

' দ্য সাপার লাস্ট ' লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি'র আঁকা যীশু খ্রিস্টের শেষ আহার পর্বের বিখ্যাত ছবি।

৮৭।উপমহাদেশ বলতে কী বোঝায়?

উপমহাদেশ হলো কোন মহাদেশের অংশবিশেষ, যা ভৌগলিকভাবে মহাদেশের অন্য অংশ থেকে ভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত।
যেমন-ভারত উপমহাদেশ, আরবদ্বীপ।

৮৮।কোকো(Cocoa) কী?

কোকো ক্রান্তীয় অঞ্চলের একটি অর্থকরী ফসল।চকোলেট, মাখন,পানীয়সহ বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের সুগন্ধ বাড়াতে কোকোর প্রয়োজন অপরিহার্য।

৮৯।কম্পিউটারের ড্রাইভ 'সি' থেকে শুরু হয় কেনো?

কম্পিউটারের শুরুর দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ না থাকায় স্টোরেজ হিসেবে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করা হত।পরবর্তী ১৯৮০ সালের দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে হার্ডডিস্ক আসলে 'C' দ্বারা বোঝানো হয়।বর্তমানে ফ্লপি ডিস্কের ব্যবহার শেষ হলেও এটা 'চ'- তেই ব্যবহৃত হচ্ছে।

৯০।হায়ারোগ্লিক(Hieroglyph)কী?

হায়ারোগ্লিক বা চিত্রলিপি হলো চিত্রভিত্তিক প্রাচীন
মিশরীয় লিখন পদ্ধতি।প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপি চিহৃ দিয়ে এ লিখন তৈরি হয়েছিল।

৯১।ঘনবীক্ষণ যন্ত্র কী?

যে যন্ত্র দ্বারা স্বল্প ব্যবধানে দুটি বিন্দু থেকে দুটি আলোকচিত্র গ্রহন করে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি পাওয়া যায় তাকে ঘনবীক্ষন যন্ত্র বলে।

৯২।ষোলোকলা বলতে কি বোঝায়?

পৃথিবী থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদের আলোকিত অংশের বিভিন্ন অংশ দেখা যায়।চাঁদের এ পরিবর্তনকে কলা বলে।আর ষোলো ভাগে ভাগ করা হয় বলে একে একত্রে ষোলোকলা বলা হয়।

৯৩।সুমো খেলা কী?

'সুমো '(Sumo) এক ধরনের কুস্তিখেলা। অসম্ভব স্থুলকায় কুস্তিগীরেরা এ খেলায় অংশ নেয়। যীশু খ্রিস্টের জন্মের পূর্বেই এ খেলার উদ্ভব হয়।

৯৪।মেসমেরিজম বলতে কী বোঝায়?

মেসমেরিজম এক ধরনের সম্মোহন। এতে অন্যের মস্তিষ্ককে অসাড় করে নিজের ইচ্ছায় চালিত হয়।জার্মান চিকিৎসক ফ্রাঞ্জ অ্যান্টন মেসমার চিকিৎসায় এটি প্রথম ব্যবহার হয়।

৯৫। কসমোলজি কী?

মহাবিশ্বের স্থান ও কালসম্বন্ধীয় গঠন, উৎপত্তি, পরিণতি ইত্যাদি সম্বন্ধে তত্ত্বীয় এবং পর্যবেক্ষণ সম্মত বিদ্যাকে কসমোলজি বা মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বলে।

৯৬।'প্রিজমা'এবং'পোকেমন গো' কী?

প্রিজমা হলো ছবি সম্পাদনার অ্যাপস,যার মাধ্যমে ছবি সম্পাদন করে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তা শেয়ার করা যায় আর 'পোকেমন গো' হলো জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ।

৯৭।জেনোফোবিয়া(Xenophobia) দ্বারা কি বুঝানো হয়?

এটা দ্বারা অপরিচিত বা বিদেশী ব্যক্তি, তত্ত্ব, সংস্কৃতি, উদদ্যোগ ইত্যাদির প্রতি ভীতি ও অবিশ্বাস বোঝায়।এটাতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিদেশী বা অপরিচিত কোনো তত্ত্ব বা উদ্যোগের ভালোমন্দ আদৌ যাচাই না করে তা বর্জন করার পক্ষপাতী।

৯৮।জাইরোস্কোপ কী?

বিমানপোতে ওঠানামা বা গতি পরিবর্তনকালে দিগন্তের দিক এবং উত্তর দিক মনে রাখার যন্ত্র হলো জাইরোস্কোপ।

৯৯।ন্যায়পাল কাকে বলে?

ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারী মুখপাত্র বা কর্মকর্তাকে বোঝায়,যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।সরকারি আমলা ও সাধারন নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী সরকারি এজেন্ট হিসেবে তিনি থাকেন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

১০০। Green Currency কী?

সাধারণ কৃষিনীতি অনুসরণ করার জন্য ইউরোপীয় অর্থেনেতিক কমিউনিটিভূক্ত দেশগুলো যেসব মুদ্রা একটি কৃত্রিম বিনিময় হার ব্যবহার করে সেগুলো Green Currency বলে ।

১০১।Pupil ও Student এর মধ্যে পার্থক্য কী?

সাধারণত কোনো শিক্ষকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিক্ষা গ্রহণকারী বা নিচের শ্রেণীর শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে Pupil আর স্কুল (মাধ্যমিক),কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Student ব্যবহৃত হয়।

১০২। ভায়াডাক্ট কী?

ভায়াডাক্ট এক ধরনের বিশেষ সেতু,যেখানে ধারাবাহিকভাবে পাশাপাশি দুই পিলারের ওপর ধনুক আকৃতির কাঠামো তৈরি করে তার ওপর সড়ক বা রেলপথ স্থাপন করা হয়।

১০৩। প্লুটো কেন গ্রহ নয়?

ভর,আকৃতি (ছোট) এবং অনিয়মিত কক্ষপথ-প্রধানত এ তিন বিষয়ের কারণেই প্লুটোকে গ্রহের মর্যাদাচ্যুত করা হয়।

১০৪।মনোকালচার কী?

কোনো জমিতে সকল ধরনের চাষাবাদ বাদ দিয়ে শুধু একটি শস্যের চাষ করাকে বলা হয় মনোকালচার বা একক কৃষি।

১০৫। Mbps ও MBps এর মধ্যে পার্থক্য কী?

Mbps এর পূর্ণরূপ Megabits per second,যা
সাধারণ ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড।আর MBps এর পূর্ণরূপ Megabytes per second,যা সাধারণ
ফাইল সাইজ বা ডেটার পরিমাণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উলেখ্য,১বাইট সমান ৮বিট।

১০৬। চন্দ্রমুদ্রা বা Moon Money কী?

প্রাচীনকালে চীনে প্রচলিত এক ধরনের বিনিময় মাধ্যম হলো ' চন্দ্রমুদ্রা '।তামার তৈরি এ মুদ্রাটি দেখতে অর্ধ চন্দ্রাকার হওয়ায় এর এরূপ নামকরণ করা হয়।

১০৭।Holy See (হলি সী) কী?

রোমান ক্যাথলিক চার্চের আইনগত ও প্রতিকী প্রতিভূ হলো হলি সী,যার সর্বোচ্চ পদে থাকেন পোপ। এটা দ্বারা অনেক সময় নগর ভ্যাটিকানকেও বোঝানো হয়।

১০৮।নাইলন(Nylon) কী?

কতিপয় কৃত্রিম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের সাধারণ নাম হলো নাইলন। এটা খুব শক্ত ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
কয়লা, বাতাস,পেট্রোলিয়াম,চুনাপাথর, বায়োগ্যাস ইত্যাদি উপাধানের সাহায্যে এক জটিল প্রক্রিয়ায় এটা তৈরি করা হয়।

১০৯।খ্রিষ্টাব্দ কী?এর প্রচলন কখন থেকে শুরু হয়?

যীশু খ্রিস্টের জন্ম থেকে গননা করা বর্ষপঞ্জী হলো খ্রিস্টাব্দ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৫৮২ পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির এক আদেশানুসারে এ বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।

১১০।প্রতি চার বছর অন্তর লিপ ইয়ার
হওয়া সত্ত্বেও বাংলা নববর্ষ কিভাবে ১৪ এপ্রিলই হয়? 

বংগাব্দকে আধুনিক করতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমী কর্তৃক ড. মুহম্মদ
শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুসারে বছরের ১ম পাঁচ মাস ৩১দিনের ও বাকী মাসগুলো ৩০দিনের এবং লিপইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাসে ১দিন যোগ করা হয়।এ কারনে বাংলা নববর্ষ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলই হয়।

১১১। অ্যাকর্ড কী?

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের ইউরোপীয় জোট।

১১২। অ্যালায়েন্স কী?

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট।

১১৩। চেকবুক কূটনীতি কী ?

অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে কোনো দেশকে কাছে টানতে চাওয়ার কূটনীতি।

১১৪। সার্কুলার নোট কী?

পর্যটকদের দেয়া যে হুন্ডি (নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ)ব্যাংকের বিদেশস্থ কোনো শাখায় ভাঙবার সুযোগ রয়েছে,তাকে সার্কুলার নোট বলে।এটা এক ধরনের প্রত্য্যপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (LC)।

১১৫। হিসপানিক কি?

হিসপানিক হলো ঐ সকল অভিবাসী জনগোষ্ঠী যারা স্পেনের ভাষা, সংস্কৃতির সাথে যুক্ত ।

১১৬। কত তারিখ থেকে বাবার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা শুরু হয়?

উত্তর - ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের নাম লেখার ঘোষণা দেন এবং ২০০০ সালের ২৭ আগস্ট কার্যকর হয়।আর সার্টিফিকেটে পিতার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা চালু হয়-২০০৪ সালে।

১১৭। "সরকারি সফর" এবং "রাষ্ট্রীয় সফর" এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর - রাষ্ট্র প্রধান ( রাষ্ট্রপতি), মন্ত্রিপরিষদ প্রধান
( প্রধানমন্ত্রী) - সফর হলো - রাষ্ট্রীয় সফর,
অন্যদিকে - সরকারের মন্ত্রী, এমপি, আমলাদের সফর হলো - সরকারি সফর ।

১১৮। আইটি পার্ক ও হাইটেক পার্কের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর - আইটি পার্ক মূলত সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট কিংবা আউটসোর্সিং কাজের সাথে সম্পর্কিত । যেমন :স্যামসাং, অ্যাপল ইত্যাদির ক্যাম্পাস।
আর হাইটেক পার্ক হল উন্নতটেকনোলজিরর সাথে
রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোডাকশন ইত্যাদির সমন্বয়।
যেমন: সুইজারল্যান্ডের রোল্যাক্স আর ইসরাইলের চিকিৎসা আর সামরিক ইন্ডাস্ট্রি

১১৯। মাননীয় & মহামান্য এদের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর -
মাননীয়
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য
২। যেমন: প্রধানমন্ত্রীকে সম্মোধনের ক্ষেত্রে মাননীয়
ব্যবহার করা হয়।
মহামান্য
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য
এবং যিনি আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
২। যেমন: রাষ্ট্রপতিকে সম্মোধনেরক্ষেত্রে মহামান্য
ব্যবহার করা হয়।

১২০। হাওর, বাওর এবং বিল, ঝিল এর পার্থক্য কী ?

উত্তর- হাওর হচ্ছে বিশাল গামলা আকৃতির জলাশয় যা
ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে। যেমনঃ হাকালুকি।
অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়। বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়। যেমন চন্দা। ঝিল নদীর পরিত্যাক্ত খাত। সাধারনত ঝিলকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হৃদ হিসেবে নির্দেশ করা হয়।

১২১। ১, ২, ৫ টাকার কয়েন গুলো কেন সরকারি মুদ্রা ?

উত্তর - আমরা সবাই জানি ১, ২, ৫ টাকার কয়েনগুলো সরকারি মুদ্রা কারণ এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থেকে আর বাকি নোটগুলোতে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের । মূলত দেশের টাকা ছাপানোর দায়িত্ব হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের । এজন্য ৫ থেকে ১০০০ হাজার টাকার নোট ছাঁপানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে যতটাকা ছাঁপাবে ততটাকার সমান টাকা বা gold বা ডলার মজুদ রাখতে হয় ফরেন রিভার্জ
সিরিকিউরিটি হিসেবে ।

অপর পক্ষে ১ ২ ও ৫ টাকার কয়েন ছাঁপানোর জন্যসরকারকে কোন Gold রিজার্ভ রাখতে হয় না । ফলে বহুল ব্যবহৃত এসব কয়েন সরকার ইচ্ছামতো পরিমাণে বানাতে পারে , এতে দেশের অনেক সময় মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায় । সেজন্য বহুলব্যবহৃত এসব কয়েনকে সরকারি মুদ্রা বলা হয়।

ইঞ্জিন বিষয়ে ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ পর্ব নং- ০১

০১। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কাকে বলে ?
উত্তরঃ ইঞ্জিন বলতে মূলত সয়ংক্রিয় যন্ত্র কে বুঝায়। যা জ্বালানি দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজে চলে এবং যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে অন্যান্য যন্ত্রাদি কে চালায় তাকে ইঞ্জিন বলে।

০২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কত প্রকার কি কি?
উত্তরঃ ইঞ্জিন দুই প্রকারঃ
১. আই সি ইঞ্জিন বা অন্তর্দহ ইঞ্জিন ( Internal Combustion Engine)।
যে ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের দহন প্রকোষ্ঠে বা অন্তর্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করে তাকে অন্তর্দহ ইঞ্জিন বলে।
২. ই সি ইঞ্জিন বা বহির্দহ ইঞ্জিন (External Combustion Engine)।
বহির্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটানো। (Its Impossible).

আই সি ইঞ্জিন এর প্রকারভেদঃ
জ্বালানি অনুসারে ৩ প্রকার
ক) পেট্রোল বা গ্যাসোলিন ইঞ্জিন
খ) ডিজেল ইঞ্জিন
গ) গ্যাস ইঞ্জিন।

প্রজ্জলন অনুসারে ২ প্রকার
ক) স্পার্ক ইগনেশন
খ) কমপ্রেশন ইগনেশন

স্ট্রোক এর সংখ্যা এর উপর ২ প্রকার
ক) দুই স্ট্রোক
খ) চার স্ট্রোক

ভালভ এর অবস্থান অনুসারে ৪ প্রকার
ক) L Head বা সাইড ভালভ ইঞ্জিন।
খ) I-Head বা ইনলাইন ভালভ ইঞ্জিন।
গ) F-Head ইঞ্জিন।
ঘ) T-Head ইঞ্জিন।
সংক্ষেপে LIFT বলে।

সিলিন্ডারের সংখ্যা অনুযায়ী ইঞ্জিনকে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগে করা যায়।যথাঃ- 
১) এক সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
২) দুই সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
৩) তিন সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
৪) চার সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
৫) ছয় সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
৬) আট সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

কুকিং সিস্টেম অনুযায়ী ইঞ্জিন দুই প্রকার।যথাঃ-
১)এয়ার কুলিং ইঞ্জিন।
২)ওয়াটার কুলিং ইঞ্জিন।

সিলিন্ডার এবং বিন্যাশ অনুযায়ী ইঞ্জিন কে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগ করা যায়।যথাঃ-
১)ইনলাইন ইঞ্জিন।
২)ভি-টাইপ ইঞ্জিন।
৩)রেডিয়েল টাইপ ইঞ্জিন।
৪)অপজাড সিলিন্ডার ইঞ্জিন।
৫)রেডিয়াল সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

০৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন কি?
হাই কম্প্রেশন-ইগনিশন ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিন৷ সিলিন্ডারের ভিতরে শুধু হাওয়াকে কম্প্রেশন করিয়া অত্যাধিক উত্তাপ সৃষ্টি করিয়া থাকে ৷ হাই স্পীডে ডিজেল ফুয়েলকে জালাইয়া তাপ শক্তি উৎপন্ন করে৷

০৪। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন আবিস্কার হয় কত সালে? আবিস্কারকের নাম?
উত্তরঃ ডঃ রুডলফ ডিজেল এবং 1893

০৫। প্রশ্নঃ পেট্রোল ইঞ্জিন কি?
উত্তরঃ

০৬। প্রশ্নঃ সি.আই.ই(CIE) ও এস.আই.ই(SIE) বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ CIE = Compression Ignition Engine.
(ডিজেল ইঞ্জিনকে বোঝায় ) ও
SIE= Spark Ignition Engine (পেট্রোল ইঞ্জিনকে বোঝায়)

০৭। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কী?
উত্তরঃ ইঞ্জিন হলো বহু যন্ত্রাংশের সহযোগে গঠিত একটি বিশেষ যন্ত্র। যেটি নিজে চালিত হয়ে তাপশক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তরিত করে।

০৮। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের পাওয়ার কি?
একক সময়ে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যান্তরে উৎপাদিত কাজকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷আবার কাজ করার হারকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷ক্ষমতার একক ওয়াট (WATT) ৷ইঞ্জিনের ক্ষমতা নিভর করে টকের উপর।

০৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলতে কি বুজায়?
উত্তর: ইঞ্জিনের ইফিসিয়েন্সি বলতে উহার কজের দক্ষতা বুঝায়।কাজের দক্ষতা শব্দের অথ প্রয়োগকৃত কাজ এবং উহা হতে প্রাপ্ত কাজের মধ্যে সম্পক বা অনুপাতকে বুঝায় । ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোন ইঞ্জিন হতে যে পরিমান কাজ পাওয়া যায়(BHP) এবং ইঞ্জিন যে পরিমান কাজ সরবরাহ করে এই দুইয়ের অনুপাতকে ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলে৷(BHP=Break horse power)

১০। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কেন রাখা হয়?
উত্তরঃ ইঞ্জিন চলাকালীন তাপে বর্ধিত Valve Stem এর জন্য বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয় তাই এই ক্লিয়ারেন্স রাখা হয়।
খ) ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ Valve Tip ও Rocker Tip এর মধ্যবর্তী ফাঁকা
স্থানকে Tappet Clearance বলে।

১১। প্রশ্নঃ সাইকেল বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ Crankshaft ঘুরে ঘুরে সিলিন্ডারের ভিতরে
পর পর যে কার্য সম্পাদন করে তাকে Cycle বলে ।

১২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সুপার চার্জার কেন ব্যবহার করা হয়?/সুপার চার্জার এর কাজ কী?
উত্তরঃ ইঞ্জিনের Volumetric Efficiency বৃদ্ধির জন্য বায়ুমন্ডলীয় চাপের চেয়ে অধিক চাপে সিলিন্ডারে বাতাস প্রবেশ করানো Super Charger এর কাজ।

১৩। প্রশ্নঃ প্রাইমিং কাকে বলে?
উত্তরঃ ইঞ্জিন চালানোর পুর্বে উহার বিভিন্ন যন্ত্রাংশকে (Bearing, Valve Mechanism) Lubrication করার পদ্ধতিকে Priming বলে। এতে Moving Parts এর Sticky ও ঘর্ষণজনিত ক্ষয়রোধ হয়।

১৪। প্রশ্নঃ অয়েল স্ক্রেপার রিং এর কাজ কী?
উত্তরঃ সিলিন্ডার ওয়াল হতে অতিরিক্ত Lube Oil কে Scrapping করে Crankcase এ ফেরত পাঠানোর কাজে Oil Scrapper Ring or Oil Control Ring ব্যবহার করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একটি ইনজেকটরের পাঁচটি অংশের নাম লেখ।
উত্তরঃ Nozzle, Nozzle Valve, Nozzle Valve Spindle, Nozzle Valve Spring, Pressure Adjusting Screw.

১৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের কানেকটিং রডের কাজ লেখ।
উত্তরঃ ইহা Piston এর Reciprocating Motion কে Crankshaft এর Rotary Motion এ রুপান্তরিত করে
এবং Combustion Chamber এ উৎপাদিত শক্তি ইহার মাধ্যমে Crankshaft এ স্থানান্তরিত হয়।

১৭। প্রশ্নঃ দ্বিঘাত এবং চতুর্ঘাত ইঞ্জিনের পার্থক্য লেখ।
উত্তরঃ Two Stroke এবং Four Stroke ইঞ্জিনের পার্থক্যঃ Two Stroke Four Stroke Crankshaft এর এক ঘূর্ণনে (360°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।
Crankshaft এর দুই ঘূর্ণনে (720°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।
Intake Port ও Exhaust Port/Valve থাকে । Intake
Valve ও Exhaust Valve থাকে ।
সাধারণত Beveled Piston ব্যবহৃত হয়।
সাধারণত Flat, Concave ও Crown Piston ব্যবহৃত হয়।
Fuel ও Lube Oil Consumption বেশি।
Fuel ও Lube Oil Consumption তুলনামূলক কম।

১৮। প্রশ্নঃ লুব অয়েল সিস্টেমের কয়েকটি উদ্দেশ্য লেখ।
উত্তরঃ Lubricating, Cooling, Cleaning, Sealing and Noise Reducing.

১৯। প্রশ্নঃ এয়ার ইনটেক সিস্টেমের উদ্দেশ্য সমুহ লেখ।
উত্তরঃ সিলিন্ডারে পরিস্কার ও ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করা, চাপ প্রয়োগে বাতাস সরবরাহ করা,সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ ঠান্ডা করা, শব্দ কমানো এবং অবশিষ্ট পোড়া গ্যাস বের করে দেওয়া।

২০। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেঞ্জিং বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ইন্টেক এয়ারের সাহায্যে Combustion Chamber হতে Exhaust Gas কে ধাক্কা দিয়ে বের করার পদ্ধতিকে Scavenging বলে।

২১। প্রশ্নঃ স্ক্যাবেনজিং কি,কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?
ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া,ফ্রেস এয়ার পূন(fill) করার নাম স্ক্যাবেনজিং (Scavenging)।
স্ক্যাবেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে ।ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

২২। প্রশ্নঃ ক্লিয়ারেন্স ভলিউম কাকে বলে?
উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top
Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী
স্থানের আয়তনকে Clearance Volume বলে।

২৩। প্রশ্নঃ ব্লো বাই বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ লাইনার অথবা পিস্টন রিং ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় Combustion Chamber হতে Compression Leak বা Exhaust Gas Leak হয়ে সাম্পে প্রবেশ করলে তাকে Blow By বলে।

২৪। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বেশি হলে ইঞ্জিনে কী
কী অসুবিধা হতে পারে?
উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের পরে খুলবে, সিলিন্ডারে বাতাস কম প্রবেশ করবে, কম্প্রেশন প্রেসার কম হবে, Fuel সম্পূর্নভাবে জ্বলবে না, পিস্টনের মাথায় কার্বন
জমবে, সিলিন্ডার হতে এগজস্ট গ্যাস সম্পূর্ন বের হবে না।

২৫। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কম হলে ইঞ্জিনে কী কী
অসুবিধা হতে পারে?
উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের আগে খুলবে এবং বেশি সময় খোলা থাকবে, Valve Lid বেঁকে বা ভেঙ্গে যেতে পারে, Push Rod অথবা Rocker Arm বেঁকে যেতে পারে, Piston Head এ আঘাত হতে পারে।

২৬। প্রশ্নঃ বাম্পিং ক্লিয়ারেন্স কী?
উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী
স্থানের দূরত্বকে Bumping Clearance বলে।

২৭। প্রশ্নঃ ক্লাচ বলতে কি বুঝায় ?
একটি চালিত শ্যাফকে অন্য আরেকটি চালক শ্যাফটের সাথে ইচ্ছামাফিক সংযোজন ও বিচ্ছিন্ন করার জন্য যে যান্তিক অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে ক্লাচ বলে৷

২৮। প্রশ্নঃ তাপ ও তাপমাত্রার চারটি পার্থক্য লেখ?
উত্তরঃ তাপ এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়।
তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা।
তাপ হল শক্তির নিদর্শন।
তাপমাত্রা শক্তির বহিঃপ্রকাশ।
তাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম ক্যালরিমিটার।
তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।
তাপের একক বিটিইউ, ক্যালরি, জুল ইত্যাদি।
তাপমাত্রার একক ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিগ্রি
ফারেনহাইট, ডিগ্রি রোমার ইত্যাদি।

২৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ
সমূহ লেখ।
উত্তরঃ ইঞ্জিন Over Load or Low Load এ চললে,
Compression Pressure কম হলে, Piston Ring ও
Liner ক্ষয়প্রাপ্ত হলে, Fuel Injection Timing সঠিক
না হলে, Valve Timing সঠিক না হলে, Tappet Clearance সঠিক না হলে, Injector ত্রুটিযুক্ত হলে।

৩০। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ সমূহ লেখ?
উত্তরঃ Combustion Chamber এ পানি প্রবেশ করলে, Fuel Contamination হলে, Engine Temperature মাত্রাতিরিক্ত হলে, Fuel Injection Timing Advanced হলে।

৩১। প্রশ্নঃ পার্জিং বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ইঞ্জিনের কোন Liquid System এ আটক বা
জমাকৃত বাতাস বা গ্যাস বের করে উহাকে Liquid
দ্বারা পূর্ণ করার পদ্ধতিকে Purging বলে। যেমন- Lube Oil System, Fuel System ইত্যাদি।

৩২। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ কার্বুরেটরকে পেট্রোল ইঞ্জিনের হার্ট বলা হয়। ইহা ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অনুপাতে Air-Fuel Mixture তৈরি করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করে।

৩৩। প্রশ্নঃ প্লাঞ্জার এর কাজ লেখ।
উত্তরঃ Fuel Injection Pump এ Barrel এর মধ্যে
Plunger এর অবস্থান। ইহা Cam এর ধাক্কায় Reciprocating Motion এ কাজ করে এবং এর গায়ে
তিন ধরনের Slot বা খাঁজ কাটা থাকে যা দ্বারা ফুয়েল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। (Vertical, Helical and Round Slot)

৩৪। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের লুব অয়েল প্রেসার কম হওয়ার
কয়েকটি কারণ লেখ।
উত্তরঃ Main এবং Big End Bearing এর ক্লিয়ারেন্স
বেশী, লুব অয়েল সিস্টেমে বাতাস প্রবেশ, লুব অয়েল ফিল্টার আংশিক বন্ধ, লুব অয়েল ঠিকমত কুলিং না হলে, Pressure Regulating Valve ত্রুটিপূর্ণ, Dilution
হলে, Lube Oil Grade সঠিক না হলে।

৩৫। প্রশ্নঃ কমপ্রেশন প্রেসার কম হওয়ার কয়েকটি কারণ লেখ?
উত্তরঃ কারণসমুহ- Valve Seats Pitted,Valve Deformity, Blown Head Gaskets, Extensive Piston Ring and Cylinder Wear.

৩৬। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর কোন ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ পেট্রোল ইঞ্জিনে।

৩৭। প্রশ্নঃ টিডিসি ও বিডিসি এর অর্থসহ অবস্থান উল্লেখ কর?
উত্তরঃ TDC = Top Dead Center , 
BDC =Bottom Dead Center Liner এর ভিতর Piston এর সর্বোচ্চ অবস্থানকে TDC এবং সর্বনিম্ন অবস্থানকে BDC বলে।

৩৮। প্রশ্নঃ ফুয়েল ইনজেকটরের কাজ কী? / ইনজেকটর কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ Injector এর কাজ Atomized Condition এ
Fuel কে Combustion Chamber এ স্প্রে করা। তাই ইহাকে Atomizer ও বলা হয়ে থাকে।

৩৯। প্রশ্নঃ বিয়ারিং কাকে বলে?কত প্রকার কি কি?
উত্তরঃ বিয়ারিং হলো এমন একটা ডিভাইস যাহা নিজে ঘোড়ে এবং ঘূনয়মান অবস্থায় লোড স্থানান্তর করে৷
বিয়ারিং দুই প্রকার:
1:বল বিয়ারিং
2:রোলার বিয়রিং

৪০। প্রশ্নঃ বিয়ারিং ক্লিয়ারেন্স কাকে বলে?
উত্তরঃ Crankshaft এর Main Journal এর আউটার
ডায়ামিটার এবং Bearing Shell এর ইনার ডায়ামিটারের পার্থক্যের অর্ধেক কে Bearing Clearance বলে।

৪১। প্রশ্নঃ হাই প্রেসার পাম্প (Fuel Injection Pump)
এর কাজ কী?
উত্তরঃ ফায়ারিং অর্ডার অনুসারে ফুয়েলকে উচ্চ
চাপে ইনজেক্টরে সরবরাহের মাধ্যমে কার্যকরী
সিলিন্ডারে স্প্রে করানো।

৪২। প্রশ্নঃ ডিকম্প্রেশন লিভারের কাজ কী?
উত্তরঃ The Decompression lever for the easy
cranking herewith it completes blow-through
also. It usually locates with the exhaust valve.

৪৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিনে কী ধরনের ফুয়েল ফিল্টার
ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ Pre-filter or Primary filter and secondary
filter. এদের গঠন Duplex হলে একটি স্ট্যান্ডবাই রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।

৪৪। প্রশ্নঃ বাষ্পীয় ইঞ্জিন কোন সালে এবং কে আবিষ্কার করে?
উত্তর: বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী জ্যামস ওয়াট 1778 খৃষ্টাব্দে এবং ফ্রান্সের বিজ্ঞানী ক্যাপ্টেন নিকোলাস কাগনট বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন1769 খৃষ্টাব্দে।

৪৫। প্রশ্নঃ রকার আর্মের কাজ কী?
উত্তরঃ রকার আর্ম লিভারের ন্যায় কাজ করে। এটি Cam lobe, Valve lifter ও Push rod দ্বারা Pivot প্রান্তে ধাক্কা প্রাপ্ত হয়ে Rocker Tip প্রান্ত দ্বারা ভালভ স্টেমকে Depress করে ভালভ ওপেন করে।

৪৬। প্রশ্নঃ পাম্প টাইমিং করতে হলে কী করা প্রয়োজন?
উত্তরঃ Fuel Injection Pump গিয়ার ট্রেন হতে বিযুক্ত অবস্থায় POPC (Point Of Port Closer) করে ১ নং পিস্টনকে কম্প্রশন স্ট্রোক (BTDC নির্দিষ্ট ডিগ্রিতে) রেখে পাম্প টি গিয়ার ট্রেনের সাথে যুক্ত করতে হবে।

৪৭। প্রশ্নঃ ব্যারেলের অবস্থান কোথায়?
উত্তরঃ Fuel Injection Pump এর ফুয়েল গ্যালারিতে।

৪৮। প্রশ্নঃ রেডিয়েটরের pressure cap কেন use করা হয় এবং কি কাজ?
রেডিয়েটরের cape দুইটা ভালভ আছে একটা pressure valve & vacuum valve ।
আমরা জানি পানির বাসপীয় temperature 100 degree centigrade but এটা হলো খোলা অবসথায়।
তাই রেডিয়েটরের pressure cap এর 100 degree centigrade temperature বাষপ হয়না ।
সেই সময় দেখা যায় 115 degree. Centigrade বা এর কম / বেশিতে বাষপ হয় ।
বাষপ হওয়ার কারনে pressur cap খুলে রিজাভ tank এ জমা হয়।
আবার যখন engine cold হয় তখন engine এর ভিতরে নেগেটিভ pressure হয় তখন রেডিয়েটরের vacuum valve open হয় এবং পানি শূনতা পুরন করে।

৪৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল কি? 
উত্তরঃ ইঞ্জিন হতে নিরগত ক্ষতিকারক পদার্থকে নিওন্ত্রন করাকে ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল বলা হয়।
৩৭। ফ্রিকশনাল হর্স পাওয়ার (F.H.P) কি?
উত্তরঃ ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত শক্তি বিভিন্ন অংশের মাধ্যমে ফ্লাই হুইলে পৌছানোর পথে ঘষন জিনত কারনে যে ক্ষমতার অপচয় হয় তাকে ফ্রিকশনাল হস পাওয়ার (F.H.P) বলে।
সূএ, F.H.P=I.H.P - B.H.P

৫০। প্রশ্নঃ ব্রেক হর্স পাওয়ার (B.H.P)
কোন একটি ইঞ্জিনের ফ্লাই হুইল হতে ব্যবহার উপযোগী যে ক্ষমতা পাওয়া যায় তাকে ব্রেক হস পাওয়ার বলে।কখনো একে Shaft horse power বা Delivered horse power বলে।
ব্রেক হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ
B .H.P=2pNT%4500
N=প্রতি মিনিটে CRANK SHAFT ঘূনন গতি
T=পরিক্ষিত টক kg-m
এখানে, 
T=PR
P=লোড কেজি 
R=রেডিয়াস দূরত্ব ,m

৫১। প্রশ্নঃ ইন্ডিকেটেড হর্স পাওয়ার (I.H.P)
জালানি প্রজ্জলন করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সবমোট হস পাওয়ারকে ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার বলে। ইঞ্জিন নিদেশক (Engine indicator) নামের এক প্রকার যন্ত্র দ্বারা ইহা পরিমান করা হয় । সে জন্য এর নাম ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার। ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ
ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার (I.H.P) =PLANK%4500 (For two stroke )
PLANK%4500*2 ( For four stroke )
এখানে, 
P=গড় কাযকারী চাপ,kg/cm sq 
L= স্টোকের দৈঘ্য , মিটার (m) 
A=সিলিন্ডারের ক্ষেএফল,cm sq 
N=প্রতি মিনিটে crank shaft ঘূনন গতি
K=সিলিন্ডার সংখ্যা।

৫২। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেনজিং কি? কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?
ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া, ফ্রেস এয়ার পূর্ন (fill) করার নাম স্ক্যাভেনজিং (Scavenging)।
স্ক্যাভেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে । ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

৫৩। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে ভাল্ব সিট এ্যাঙ্গেল কত থাকে? 
উত্তরঃ ইনটেক ৪৫° আর এগজষ্টে ৩০° থাকে।

৫৪। প্রশ্ন: গাড়িতে কাম্বার এ্যাংগেল কত থাকে?
উত্তর : POINT 5 ডিগ্রি

৫৫। প্রশ্নঃ Horse power বের করার পদ্ধতি কি? 
উত্তরঃ P*l*A*N*n%4500*2=I.H.P
Only for four stroke.

৫৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের সি সি বলতে কি বোজায়? 
উত্তর : সিসিকে পিষ্টন ডিসপ্লেসমেন্ট বলা হয়,অথবা ভলিউম ডিসপ্লেড অফ পিষ্টন।
সহজভাবে একটা পিষ্টন যে জায়গাটাতে ওঠানামা করে তার পুরো জায়গাটাকে সিসি বলে।বের করার নিয়ম 
Bore (mm) X Bore (mm) X Stroke (mm) X 3.1416"/4 = Engine cc
এটা হলো একটা সিলিন্ডারের ক্ষে্ত্রে।

৫৭। প্রশ্নঃ অটো ইলেকট্রিসিটি বলতে কি বোঝায়?
উত্তরঃ মোটরগাড়িতে বিভিন্ন ধরনের বাতি, হর্ন,ব্যাটারি চার্জ,ইঞ্জিন চালু করন,পেট্রোল ইঞ্জিনে হাই ভোলটেজ ইলেক্ট্রিক স্পার্ক তৈরী করন এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞজামাদি পরিচালনার জন্য যে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে, তাকে অটোমোটিভ বা অটো ইলেকট্রিসিটি বলে।

৫৮। প্রশ্নঃ একটি মোটর গাড়িতে কি কি ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে?
উত্তরঃ প্রধানত যে সকল ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে তা হলো :
*ব্যাটারি
*অল্টারনেটর
*স্টাটার মটর/সেলফ স্টাটার
*হন্
*উইপার এবং
*লাইট(হেড লাইট,ইন্ডিকেটর,পাকিং) ইত্যাদি

৫৯। প্রশ্নঃ Rocker arm কাজ কি?
উত্তরঃ রকার আম পুশ রডের মাধ্যমে ক্যাম দ্বারা শক্তি নিয়ে ভালব খোলা এবং বন্ধ করার কাজ করে।

৬০। প্রশ্নঃ টক( TORQUE ) কি?
ইঞ্জিন সিলিন্ডারের মধ্যে জালানি প্রজ্জলনের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা পিষ্টণকে ধাক্কা দেয় এবং এর ফলে crankshaft এর মধ্যে ঘূননের সৃষ্টি হয়,উহাকে টক( TORQUE ) বলে।
টক(T)=W*r
এখানে,W=লোড
r=ব্যসাধ

৬১। প্রশ্নঃ গড়মীন ইফেকটিভ প্রেসার(Mean effective pressure)
উত্তরঃ কোন ইঞ্জিনের গড় কাযকরী চাপ বলতে কাযকারী স্ট্রোকে পিষ্টনের উপর আরোপিত গড় চাপকে বুঝায়।এর একক 
https://www.facebook.com/groups/589109308263206/
৬২। প্রশ্নঃ হইড্রোষ্ট্যাটিক লক
একটি ফোর ষ্ট্রোক ইঞ্জিনে চারটি ষ্ট্রোক থাকে যথা সাকশান,কম্প্রেশন,পাওয়ার এবং এ্যাগজষ্ট।
সাকশান ষ্ট্রোকে কম্প্রেশন চেম্বারে বাতাস নিগত হওয়ার সাথে অথবা শুধু লিকুইড প্রবেশ করলে
হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হয়।কারন লিকুইড কম্প্রেশড হয় না।হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হওয়ার কারনে যে সকল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা নিম্নরুপ:
পিষ্টন,কানেকটিং রড,পুশ রড,ক্র্যাংশ্যাফট,ভালভ ইত্যাদি।

৬৩। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ কি?
টেকনিক্যালি, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হল কোনও বস্তুর জন্য ডিজাইন থেকে উত্পাদন পর্যন্ত বাজার থেকে নীতিনির্ধারক এবং সমস্যা সমাধান প্রযুক্তি প্রয়োগ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা গতি, শক্তি এবং বলের নীতিমালা ব্যবহার করে তাদের কাজকে বিশ্লেষণ করে - এই নকশাগুলি একটি প্রতিযোগিতামূলক খরচে সবগুলি নিরাপদে, দক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করে।

৬৪। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা একটি পার্থক্য করতে পারেন। যেহেতু মানুষের প্রয়োজন মেটাবার জন্য প্রযুক্তি তৈরির জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার সেন্টার। আধুনিক জীবনের কার্যত প্রতিটি পণ্য বা সেবা সম্ভবত একটি যান্ত্রিক প্রকৌশলী দ্বারা মানবতার সাহায্য করতে স্পর্শ করা হয়েছে।

৬৫। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ও কেন ?
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা যন্ত্রকৌশল পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও বিস্তৃত ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্র। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে বলা হয় মাদার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। যন্ত্র প্রকৌশল প্রকৌশলের একটি বিষয় যাতে যান্ত্রিক ব্যবস্থাসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ,নকশা,উৎপাদন এবং বিশ্লেষণের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো ব্যবহার করা হয়।বলবিজ্ঞান, গতিবিজ্ঞান, তাপগতিবিজ্ঞান এবং শক্তি সম্বন্ধে একটি সুস্পষ্ট জ্ঞান এই প্রকৌশল অধ্যয়নের জন্য প্রয়োজনীয়। যন্ত্র প্রকৌশলীরা মোটরগাড়ি,বিমান,শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি নির্মাণ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের যন্ত্রাদি নির্মাণে এই জ্ঞান ব্যবহার করেন।
একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কাজঃ
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা ছোট পার্টস থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় মেশিন, যন্ত্রপাতি বা যানবাহন ডিজাইন ও সেই পণ্য উৎপাদনের পুরো পদ্ধতিকে অধিক কর্মক্ষম করার জন্য কাজ করে থাকেন। তারা একটা পণ্য তৈরির সকল পর্যায়ে (গবেষণা,নকশা, উতপাদন, ইনস্টলেশন এবং চূড়ান্ত চালু) কাজ করতে পারেন।
তাদের কাজগুলো সাধারণত নিম্নরূপ:
আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও টেকশই সরঞ্জাম ডিজাইন ও তৈরি করা।অন্যান্য শ্রেণীর ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে আলোচনা করে কোন প্রজেক্টের জন্য প্রয়োজনীয় দিকগুলো বাছাই করা।তাত্বিক ডিজাইনের কার্যকারিতা জানার জন্য সিমুলেশন করা ও সেই অনুয়াযী ডিজাইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা।পণ্য সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য উৎপাদন বিভাগের লোকজন, সরবরাহকারী এবং গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করা।প্রকৌশল ও অন্যান্য খাতের পেশাদারদের সঙ্গে কাজ করা।যন্ত্রপাতির মেইনটেনেন্সের দায়িত্ব পালন করা।

৬৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ওভার রানিং কখন হয় এবং হলে কি হয়?
উত্তরঃ আপনি যদি গাড়ি চালিয়ে 2nd গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজে ওঠেন আর ৫th গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজ থেকে নামেন তা হলে যেটা হওয়ার সম্বাভনা হবে তা ইঞ্জিন ওভার রানিং। সহজ কথায় গাড়ির চাকায় যদি ইঞ্জিন ঘুরায় তা হলে ইঞ্জিন ওভার রানিং হয়।
এটা ভুলে যাবেননা ইঞ্জিনে চাকা ঘুড়ায়, চাকায় ইঞ্জিন নয়।

Thursday, April 23, 2020

Electrical (ইলেকট্রিক্যাল) 02

১.পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ কোন পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্হিত প্রোটনের মোট সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

২. বদ্ধ ও মুক্ত ইলেকট্রন কী?
উত্তরঃ কাচ,রাবার,মাইকা ইত্যাদি ইনসুলেটিং পদার্থের বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন গুলো প্রবল আকর্ষণ শক্তি দ্বারা শক্তভাবে কেন্দ্রের সাথে বাধা থাকে এদেরকে বদ্ধ ইলেকট্রন বলে।
তামা,অ্যালুনিনিয়াম ইত্যাদি পদার্থের বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন অত্যন্ত হালকাভাবে কেন্দ্রের সাতে আবদ্ধ থাকে এদেরকে মুক্ত ইলেকট্রন বলে।

৩. কুলম্ব কী?
উত্তরঃ কোনো বৈদ্যুতিক সার্কিটের মধ্য দিয়ে এক সেকেন্ডে যতগুলো ইলেকট্রন প্রবাহিত হয় তাকে S.I এককে এক কুলম্ব বলে।
১ কুলম্ব= ৬.২৫*১০^১৮ টি ইলেকট্রন

৪. বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে কি কি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়?
উত্তরঃ ক.তাপীয় ক্রিয়া
খ. চৌম্বকীয় ক্রিয়া
গ. রাসায়নিক ক্রিয়া
ঘ. শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া

৫. ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কী?
উত্তরঃ পরমাণুর বহিস্হ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যাকে ভ্যালেন্স ইলেকট্রন বলে।

৬. AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ
AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
AC হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।

৭. ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?
উত্তরঃ আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর। ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।
ভোল্টামিটার এবং অ্যামমিটারকে বর্তনীতে কিভাবে যুক্ত করা হয় ?
তড়িৎ বর্তনীর যে দুটি বিন্দুর বিভব প্রভেদ মাপতে হবে সেই দুটি বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টামিটারকে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করা হয় । আবার কোনো তড়িৎ বর্তনীর প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করতে অ্যামমিটারকে তড়িৎবর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় ।
আমিটারকে বর্তনীর সাথে সিরিজে এবং ভোল্টমিটারকে প্যারালালে সংযুক্ত করতে হয়।

৮. ট্রান্সডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি? 
উত্তরঃ Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।

৯. এ্যামপিয়ার টার্ন কি?
উত্তরঃ ম্যাগনেটিক সার্কিটের তারের পেঁচ ও প্রবাহিত কারেন্টের গুণফলকে এ্যামপিয়ার টার্ন বলে। এটি ম্যাগনেটো মোটিভ ফোর্স বা এম.এম.এফ. এর একক।
এ্যামপিয়ার টার্ন AT, কারেন্ট I এবং তারের পেঁচ সংখ্যা N হলে,
AT = IN

১০. রিল্যাকট্যান্স কি?
উত্তরঃ ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পথের বাধাকে রিল্যাকট্যান্স বলে।
এটি ইলেকট্রিক সার্কিটের রেজিস্ট্যান্সের মত। এর প্রতীক R এবং একক এ্যামপিয়ার টার্ন/ওয়েবার।
দৈর্ঘ্য L, এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ, ভ্যাকুয়ামে এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ০ ক্ষেত্রফল A হলে,
R = L/µ0µA

১১. ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড কি?
উত্তরঃ যে স্থানে একটি একক চার্জ যে বল অনুভব করে তাকে ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড বলে।

১২. বৈদ্যুতিক বল রেখার বৈশিষ্ট্য কি?
উত্তরঃ ১. বৈদ্যুতিক বল রেখা পজেটিভ চার্জ হতে বের হয়ে নেগেটিভ চার্জে শেষ হয়।
২. বল রেখাগুলো খোলা ও বক্র।
৩. বল রেখাগুলো পরস্পরকে কখনও ছেদ করে না।
৪. বল রেখাগুলো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয়।
৫. বল রেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্ব চাপ দেয়।

১৩. সাইকেল কি?
উত্তরঃ অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।

১৪. ফ্রিকোয়েন্সী কি?
উত্তরঃ কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।
একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে, f = 1/T

১৫. পিরিয়ড কি?
উত্তরঃ কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।
একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে,  T = 1/f

১৬. ফেজ কি?
উত্তরঃ পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে।

১৭. ফেজ অ্যাঙ্গেল কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণকে ফেজ অ্যাঙ্গেল বলে।

১৮. অলটারনেশন কি?
উত্তরঃ পরিবর্তনশীল রাশির অর্ধ সাইকেলকে অলটারনেশন বলে।

১৯. ফর্ম ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ কোন সাইন ওয়েভের আর.এম.এস. এবং গড় মানের অনুপাতকে ফর্ম ফ্যাক্টর বলে।
একে Kf দ্বারা প্রকাশ করা হয়।     Kf = আর.এম.এস./ গড় মান

২০. পিক ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ কোন ওয়েভের সর্বোচ্চ মান ও আর.এম.এস. মানের অনুপাতকে ক্রেস্ট ফ্যাক্টর বা পিক ফ্যাক্টর বা এ্যামপ্লিচুড ফ্যাক্টর বলে।   একে Ka দ্বারা প্রকাশ করা হয়।      Ka = সর্বোচ্চ মান / আর.এম.এস. মান

২১. পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকারঃ
১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor).
২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor).
৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)

২২. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে, পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ

২৩. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিটও বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:    E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।

২৪. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।

২৫. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তরঃ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিটও বলা হয়। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।

২৬. ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?
উত্তরঃ প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি বলে।
এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।

২৭. ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?
উত্তরঃ ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।

২৮. ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?
উত্তরঃ একটি ক্যাপাসিটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।

২৯. এক ফ্যারাড কাকে বলে?
উত্তরঃ এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।

৩০. ইলেকট্রলাইট কি?
উত্তরঃ সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে।
ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়।
ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।

৩০. প্রাইমারী সেল কি?
উত্তরঃ যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে।
অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।

৩১. কারেন্ট কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে।
 ইহাকে I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.) অথবা কুলম্ব/সেকেন্ড ।

৩২ ভোল্টেজ কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের পরমাণুগুলির মুক্ত ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন সেই বল বা
চাপকেই বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। একে V দ্বারা প্রকাশ করা হয় এর একক Volts.

৩৩. রেজিষ্ট্যান্স কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহী পদার্থের যে বৈশিষ্ট্য বা ধর্মের কারণে উহা
বাধাগ্রস্ত হয় উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকেই রোধ বা রেজিষ্ট্যান্স বলে। এর প্রতীক R অথবা r, আর একক ওহম (Ω)।

৩৪. ট্রান্সফরমার
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে
অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি
ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি ওয়াইন্ডিয়ে ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আয়রন কোরের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ
সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে। তবে মনে রাখবেন, ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজের পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পাওয়ার
ও ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে। পাওয়ার ঠিক থাকে তাই ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কারেন্টেরও পরিবর্তন হয়।

৩৫. ট্রান্সফরমেশন রেশিও
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের উভয় দিকের ইন্ডিউসড ভোল্টেজ এবং কারেন্ট ও কয়েলের প্যাচের সংখার সাথে একটি
নিদ্রিস্ট অনুপাত মেনে চলে, ইহাই ট্রান্সফরমেশন রেশিও বা টার্ন রেশিও। ইহাকে সাধারণত a দ্বারা প্রকাশ করা হয়,
অর্থাৎ a = Ep/Es = Np/Ns = Is/Ip

৩৬. ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
উত্তরঃ CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CT ও PT এভাবে ব্যবহার করা হলে এগুলোকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

৩৭. সার্কিট ব্রেকার
উত্তরঃ সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনযন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।

৩৮. আইসোলেটর
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড
অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা
অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

৩৯. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
উত্তরঃ পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলে।

Power Factor (পাওয়ার ফ্যাক্টর)?

প্রশ্নঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার৷যথা
①ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
②লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
③ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
প্রশ্নঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
①এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা,
②অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা,
③কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ
প্রশ্নঃ ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তর:এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট। ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।
প্রশ্নঃ লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তর:এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট। ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।
প্রশ্নঃ ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
উত্তর: এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিট বলে। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।
প্রশ্নঃ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?
উত্তর:প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ডেনসিটি বলে। এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।
প্রশ্নঃ ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?
উত্তর:ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী। যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।
প্রশ্নঃ ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?
উত্তর:একটি ক্যাপাসটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।
প্রশ্নঃ এক ফ্যারাড কাকে বলে?
উত্তর:এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।
প্রশ্নঃ ইলেকট্রলাইট কি?
উত্তর:সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে। ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়। ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ প্রাইমারী সেল কি?
উত্তর:যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে। অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ সেকেন্ডারী সেল কি?
উত্তর:যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় তাকে সেকেন্ডারী সেল বলে। বেশি পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত সেকেন্ডারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ইমার্জেন্সি লাইট, আই.পি.এস. ইউ.পি.এস. ইত্যাদি।

Thursday, February 20, 2020

কেন ফ্রিকুয়েন্সি শুধু 50Hz/60Hz ব্যবহৃত হয়? 45Hz, 65Hz, 95Hz বা অন্যান্য ফ্রিকোয়েন্সি হয় না কেন?

ফ্রিকুয়েন্সি টা মূলত নির্ভর করে জেনারেটর এর রোটর এর রোটেশন স্পিড & material structures এর উপর। সাধারণত, পাওয়ার স্টেশনে 2 pole জেনারেটর থেকে ৫০ হার্জ ফ্রিকুয়েন্সি জেনারেট করতে synchronous speed 3000 rpm রাখা লাগে। এবার আপনারাই হিসেব করুন, যদি ১০০ হার্জ জেনারেট করতে চাই তাহলে 6000 rpm লাগবে। এখন এত হাই স্পিড এ রোটর ঘুরলে অনেক সমস্যার উদ্ভব হবে।
কি কি সমস্যা????
১) Reactance high হয়ে যাবে, ফলশ্রতিতে Electromagnetic loss বাড়বে
২) Reactive components আধিপত্য করবে
৩) Output power & torque কমে যাবে।
তাই high frequency জেনারেট করতে তারা চায় না।

মনে করি, ১০ হার্জ জেনারেট করব। যদি ফ্রিকুয়েন্সি ১০ হার্জ হয় তাইলে,

Time period দাঁড়াবে, T = 1/f = 1/10 = 0.1 সে. তখন একটা মজার ঘটনা ঘটবে। আমরা বাতি জ্বালালে দেখব সেটা একবার অন হচ্ছে একবার অফ হচ্ছে। কেন????

আমরা জানি, এসি যখন একটা সাইকেল পূর্ণ করে 0 তে পৌঁছে তখন বাতি টার্ন অফ হয়। এখন, আমাদের দর্শনানুভূতির স্থায়িত্ব কাল 0.1 second. তাই ফ্রিকুয়েন্সি ১০ হার্জ হলে সেটা আমাদের দৃষ্টিগোচর হবে। কিন্তু ৫০ হার্জ এর ক্ষেত্রে Time period টা আমাদের দর্শনানুভূতির স্থায়িত্ব কাল থেকে অনেক কম। তাই অন অফ এর ব্যাপারটা আমাদের অক্ষিগোচর হয়না। 

তাইলে ২৫/৩৫ হার্জ করলে কি অসুবিধা?
অসুবিধা আছে ভাই। ১৯২০ সালে কয়েকটা দেশে এই কাজটা করত। পরে তারা দেখল, তার জন্য অনেক গুলো পোলের জেনারেটর লাগতেছে, ভারী ট্রান্সফরমার লাগতেছে & এই অল্প ফ্রিকুয়েন্সিতে long distance transmission দু:সাধ্য ব্যাপার।

সর্বোপরি, Generator performance, loss, load effects & বিভিন্ন প্যারামিটার এর কথা বিবেচনা করে on average 50/60 Hz কেই আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। হুম তবে, ৫০/৬০ এটাও সব দেশে স্থিতিশীল নয় সামান্য vary করে। এই variation +/- 2.5 Hz এর বেশি হওয়া উচিত না।

Tuesday, December 31, 2019

Transistor (ট্রানজিস্টর) কি, কিভাবে কাজ করে?


ট্রানজিস্টরঃ
ট্রানজিস্টর একটি তিন টার্মিনাল, তিন লেয়ার এবং দুই জাংশন বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা ইনপুট সিগনালের শক্তি বৃদ্ধি করে বিভিন্ন কাজ সমাধান করে।
দুইটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বা দুইটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর স্থাপন করে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
দুই শ্রেনীর অর্ধপরিবাহী (N-টাইপ ও P-টাইপ) দিয়ে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
এতে একটি P-টাইপ সাবস্টাক্টের উভয় পার্শ্বে একটি করে N-টাইপ স্থাপন করে N-P-N বা N-টাইপ সাবস্টাক্টের উভয় দিকে একটি করে P-টাইপ স্থাপন করে P-N-P জংশন তৈরি করা হয়।
গঠন অনুসারে ট্রানজিস্টর দুই প্রকারঃ
১. পি.এন.পি. ট্রানজিস্টর (PNP Transistor)
২. এন.পি.এন. ট্রানজিস্টর (NPN Transistor)
কিভাবে কাজ করেঃ
ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক(amplifier) ও সুইচ হিসেবে ব্যবহহৃত হয়।
ট্রানজিস্টর বানানোর পদ্ধতিকে বলা হয় 'ফেব্রিকেশন' (Fabrication)
এখানে শুধু NPN ট্রানজিস্টর নিয়ে আলোচনা করব। NPN ট্রানজিস্টরের ৩টি টার্মিনাল থাকে –
১. কালেক্টর (Collector)
২. বেস (Base) এবং
৩. ইমিটার (Emitter)
Base এর মধ্য দিয়ে পাঠানো কারেন্ট Emitter দিয়ে নির্গত হয়। ট্রানজিস্টর তখন Collector থেকে Emitter এর দিকে কারেন্ট টানতে থাকে। অর্থাৎ কালেক্টর থেকে ইমিটারের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। বেস-ইমিটার কারেন্ট(Ib) আসলে কালেক্টর-ইমিটার কারেন্টকে (Ic) নিয়ন্ত্রণ করে।
অনেকটা পানির কল ছাড়ার মত- ট্যাপ না ঘুরালে যেমন পানি বের হয়না, তেমনি বেসের মধ্য দিয়ে কারেন্ট না পাঠালে কালেক্টর থেকে এমিটারের দিকে কারেন্ট প্রবাহিত হয় না।
কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই কালেক্টর-ইমিটার কারেন্ট, বেস-ইমিটার কারেন্টের চাইতে অনেক বেশি।
ট্রানজিস্টরের মডেলভেদে কালেক্টর-ইমিটার কারেন্ট(IC), বেস-ইমিটার কারেন্টের(IB) চাইতে ৫০-৪০০গুণ বড় হতে পারে। এর মানে হচ্ছে আপনি Base-এ মাইক্রো- অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট দিয়ে কালেক্টর থেকে মিলি-অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট পেতে পারেন।
পাওয়ার ট্রানজিস্টর গুলোর বেলায় কালেক্টর কারেন্ট অ্যাম্পিয়ার রেঞ্জেও হতে পারে।
এখানে অবশ্য ভোল্টেজের একটা ব্যাপার আছে , Base-Emitter সংযোগ আসলে একটা ডায়োডের মত কাজ করে। Base-Emitter-এর ভোল্টেজের পার্থক্য যখন +০.৭ভোল্ট হয় কেবল তখনই ট্রানজিস্টর চালু হয় অর্থাৎ বেস-ইমিটার এবং কালেক্টর-ইমিটার বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়। এটাকে বলা হয় Threshold Voltage বা Turn on voltage.

Besic Acknowledge in Electrical

২৫। ১ কিলোগ্রাম কাকে বলে? উত্তর : ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ওয়েটস অ্যান্ড মেজারসে রক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি স...